[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

কহতব্য

 

নির্বাচন কমিশন প্রসঙ্গে মুক্তিজোট যে দাবীতে ‘দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন- ২০১৪’ বয়কট করেছিল, ৩ বছর পর সে দাবীই এখন ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে অপরাপর রাজনৈতিক দলের কন্ঠে ধ্বনিত।


মুক্তিজোট বছর পূর্বে, মিডিয়ার সামনে- নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল হিসাবে তার প্রথম প্রতিক্রিয়ায় বলেছিল- জাতীয় নির্বাচনকালীন সময়ে ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়’ ও ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়’ নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকার আইন পাশ করুন। ১০ই অক্টোবর ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের মিডিয়া আর্কাইভ এ খোঁজ নিলেই পাওয়া যাবে- নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সিড়িঁতে দাঁড়ানো সেদিনের সদ্যপ্রাপ্ত নিবন্ধন সার্টিফিকেট হাতে মুক্তিজোটের মোট চারটি দাবী সম্বলিত প্রামাণিক তথ্য।

দু-দিন পর, ১২ই অক্টোবর ২০১৩ খ্রিঃ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উক্ত দাবী পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

এরপর ২৫শে নভেম্বর ২০১৩ খ্রিঃ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে- নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার একমাত্র দাবী ও শর্ত হিসাবে মুক্তিজোট ঘোষণা দেয়- “নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচনকালীন হরেক কিসিমের সরকার ব্যবস্থার ফর্মূলা নয় বরং নির্বাচন কমিশনকে প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা প্রদান, জনপ্রশাসন (সংস্থাপন) ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ইসির অধীনে দেওয়া হলেই নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হতে পারে।”

 নতুবা চাইলেও নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সক্ষম হবে না অর্থাৎ সরকারের ইচ্ছা-অনিচ্ছার উপর নির্ভরশীল থাকতে বাধ্য হবে। নির্বাচন প্রসঙ্গটা নির্বাচন কমিশনের সাথে যুক্ত আর তা নিরপেক্ষ হবে কি না সে প্রসঙ্গটার সাথে তার প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার সম্পর্ক। সেক্ষেত্রে অর্ন্তবর্তী, তত্ত্বাবধায়ক ইত্যাদি সরকারের মধ্যে বা তার অদল-বদলের মধ্যে এর মীমাংসা খোঁজার অর্থ হবে নির্বাচনকে সরকারের ইচ্ছাধীন রেখে দেওয়া। ক্ষত এক জায়গায় মলম আরেক জায়গায় লাগালে যা হয় এক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে- কেউ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করেছে কেউ আবার সে ধরণের ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবী করছে, অথচ নির্বাচন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার কথা কারও মুখে নেই। পক্ষান্তরে, প্রাতিষ্ঠানিক দিক থেকেই যা এখনও অক্ষম- তার পারা না-পারা বা নিরপেক্ষতা কিংবা নির্বাচন কমিশনারদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা, সৎ-অসৎ প্রসঙ্গটাই অবান্তর। তাই নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রসঙ্গে সর্বাগ্রে নির্বাচন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাই প্রথম ও একমাত্র শর্ত; আর সেটা পূরণ হওয়ার পরই কেবল নির্বাচন কমিশনার প্রসঙ্গটা ভাবা যেতে পারে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনার সিলেকশন নিয়ে সবাই এতই উদ্বিগ্ন যে শেষ পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে স্বয়ং রাষ্ট্রপতিকে উদ্যোগী হয়ে এঁদেরকে ডাকতে হয়েছে। [উল্লেখ্য, তৎকালীন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ প্রসঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান রাজনৈতিক দলগুলোকে ডেকেছিলেন।]

ক্ষমতালিপ্সার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার হিসেবে, ক্ষমতাসীন জোটসহ অপরাপর দলগুলোর মধ্যে প্রধানত সরকারে থাকা না-থাকা দিয়েই সকল সংকটের মীমাংসা খোঁজার প্রবণতা- যেমন রাজনীতি নয় বরং ‘রাজনীতিহীনতা’; তেমনি সেই রাজনীতিহীনতার জন্যেই প্রাতিষ্ঠানিক বা কাঠামোগত মীমাংসায় ক্ষমতাসীনরা আতঙ্কিত হয়। সংহতি বা স্থিতিশীলতার শর্তে রাষ্ট্রীয় কাঠামো বা প্রতিষ্ঠানসমূহ নৈব্যক্তিক কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য বা প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা লাভ করলে- রাজনীতির নামে যেমন খুশি যাচ্ছেতাই করা যায় না। কিন্তু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পার্থক্য আছে, নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান তাই রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংশ্লিষ্ট তথা যথাযথ বিধিবদ্ধতায় তাকে সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিয়েই কেল তার যথার্থ ক্রিয়াশীলতা নিশ্চিত করা যায়।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত, সেই দাবী পূরণ না হওয়াতে- দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৪, ‘বয়কট’ করে মুক্তিজোট

তিন বছর পূর্বে প্রকাশিত সংবাদ-লিংক সমূহের সাথে মুক্তিজোটের দেওয়া ভিডিও ফুটেজঃ

[নিউজ লিংক-১]

[নিউজ লিংক-২]

[নিউজ লিংক-৩]

[নিউজ লিংক-৪]

[নিউজ লিংক-৫]

[ভিডিও লিংক-১]

[ভিডিও লিংক-২]



ক্রমিক
শিরোনাম
তারিখ
১০
নির্বাচন কেন্দ্রিক সংকট সমাধানে জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন ও প্রাসঙ্গিকতা ২০১৯-১০-১৮
দেশ ও মানুষের প্রশ্নে সবাই অভিন্ন বলেই গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে যা সঠিক তা সবার। আর সঠিকতা আধুনিক রাজনীতিতে সর্বদা যুক্তিযুক্ততায় নির্দিষ্ট হয়। বিশ্বাসের পথ ধরে ব্যক্তি সম্পর্ক এলেও- যুক্তির পথ ধরে বিশ্বাস ও ঐক্য স্থাপনের নামই গণতান্ত্রিক সহমত বা সংস্কৃতি। আর তাই গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠ উচ্চারণ আজ- ‘যা সঠিক তা প্রতিষ্ঠা পাক, যা বেঠিক তা নির্মূল হোক।’ ২০১৯-১০-১৫
দেশবাসী সহ বিশ্বের সমগ্র বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা। ২০১৯-১০-০৪
জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা ২০১৯-০৮-২৩
ন্যাপ সভাপতি অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ আর নেই ২০১৯-০৮-২৩
জাতীয় শোক দিবস- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ২০১৯-০৮-১৫
স্বাধীনতার ইতিহাস একটি দেশের ইতিহাস- কেবল একটি দল বা পক্ষের ইতিহাস হতে পারে না ; সেটা হলে গণতন্ত্র স্থগিত হয়ে পড়ে। সুতরাং ফাল্গুনের অগ্নিভ উচ্চারণে ছিলো- অ আ ক খ আর ২৬শে মার্চ অগ্নিঝরা ঘোষণায় আজ- March FOR BANGLADESH! নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সব দল নিয়ে (বর্তমানে নিবন্ধিত দল ৪০টি) জাতীয় পরিষদ গঠন করতে হবে এবং উক্ত ৪০ দল নিয়ে গঠিত জাতীয় পরিষদকেই অন্তর্বর্তী বা নির্বাচনকালীন সরকারের (তত্ত্বাবধানগত ভূমিকায় Suo Motu Government ) ঘোষণা দিতে হবে। ২০১৯-০৬-১৭
মহান মে দিবস উপলক্ষে মুক্তিজোট- এর পক্ষ থেকে সবাইকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা। ২০১৯-০৫-০১
প্রথম অস্থায়ী জাতীয় সরকার ও তার কর্মপ্রবাহের পরিণতি-ই আজকের সার্বভৌম বাংলাদেশ ২০১৯-০৪-১৭
স্বাধীনতার ইতিহাস একটি দেশের ইতিহাস- কেবল একটি দল বা পক্ষের ইতিহাস হতে পারে না ; সেটা হলে গণতন্ত্র স্থগিত হয়ে পড়ে। সুতরাং ফাল্গুনের অগ্নিভ উচ্চারণে ছিলো- অ আ ক খ আর ২৬শে মার্চ অগ্নিঝরা ঘোষণায় আজ- March FOR BANGLADESH! নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সব দল নিয়ে (বর্তমানে নিবন্ধিত দল ৪০টি) জাতীয় পরিষদ গঠন করতে হবে এবং উক্ত ৪০ দল নিয়ে গঠিত জাতীয় পরিষদকেই অন্তর্বর্তী বা নির্বাচনকালীন সরকারের (তত্ত্বাবধানগত ভূমিকায় Suo Motu Government ) ঘোষণা দিতে হবে। ২০১৯-০৩-২৬

previous12345next