[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

কহতব্য

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনঃ জাতীয় শিশু দিবস। ধর্মের জন্যে আছে ঐশী গ্রন্থ- বেদ, বাইবেল, আল-কোরান; দেশ ও রাজনীতির জন্যেও তেমনি গুরুত্বে আজ ইতিহাস! অতএব ইতিহাস কথা কও. . . . . .


আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে,

কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে?

 

১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ সেই ছেলে জন্মেছিলেন, যিনি বিশ্বকে জানিয়েছিলেন তাঁর গুণ- ‘আমি আমার দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবাসি’... যুগপৎ সেই মানুষটি তাঁর দূর্বলতার কথা বলতেও ভোলেননি- ‘আমি আমার দেশ ও দেশের মানুষকে অধিক ভালোবাসি’।

 

শেষের লাইনটাকে সেদিন দূর্বলতা মানতে কেউ রাজি হয়নি, কিন্তু সময় সব সত্যকে প্রকাশ করে তাই যা সঠিক তা প্রকাশ পায়, আর সে কারণেই যা সত্য ও ন্যায় তা’র প্রতিষ্ঠা হয়। কার্যত অজ্ঞতার আঁধার শেষ পর্যন্ত দূরীভূত হওয়ারই থাকে।

 

যদিও ঐ দূর্বলতার কারণেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহস্র বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী- ইতিহাসের কিংবদন্তী ; যাঁর পদাঙ্ক অনুসরণে এদেশে ঝাঁকে ঝাঁকে জন্মেছিলেন সহস্র বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তানরা।

 

১৯৭২ এর ১০ই জানুয়ারি, সদ্য স্বাধীন নিজ ভূমে ফিরে- ১১ই জানুয়ারিতে প্রথম জাতীয় সরকার ভেঙে দিয়ে গণতন্ত্র প্রবর্তন ; গণতন্ত্র প্রিয় মানবীয়তার বাইরে এসে, কিছুটা সময়ের জন্যে- যদি অভিভাবকত্বের কাঠিন্যে রাজনৈতিক একনায়কের দানবীয়তায় দৃঢ় হতেন তবে ২৫শে জানুয়ারি ১৯৭৫, পুনরায় জাতীয় সরকার বা ‘বাকশাল’ গঠন করার প্রয়োজন হতো না।

 

এক্ষেত্রে ভুল শোধরাতে অনেক দেরী হয়ে যায়। . . . হয়তো এদেশের গর্বিত ইতিহাসে ১৫ই আগস্টের মতো কোনো বীভৎস কলঙ্কিত অধ্যায় যুক্ত হতো না!

 

... আমি ইতিহাসের কথা বলছি, আমি কিংবদন্তির কথা বলছি, আমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি...

 

ধর্মের জন্যে আছে ঐশী গ্রন্থ- বেদ, বাইবেল, আল- কোরান ; দেশ ও রাজনীতির জন্যেও তেমনি গুরুত্বে আজ ইতিহাস! অতএব ইতিহাস কথা কও. . . . . .

 

’৫২ এর ভাষা আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিণতিতেই ’৭১ এর স্বাধীনতা কিংবা বোধগত প্রত্যয়ে খোদিত ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ ; অক্ষয় সে দাবির স্মারকে প্রতিষ্ঠিত ৯০ পরবর্তী আজকের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ।

 

এই দেশ ও তার মানুষ আপন ভাষার দাবিতেই স্বাধীন হয়েছে, গণতন্ত্রের দাবিতে নিজেকেই পোস্টার করেছে, আঁধবোজা চোখে চেয়ে থাকা- বুলেট বিদ্ধ লাশ, মুখ আর বুক একাকার করেই স্বাধীন এ দেশটি অবশেষে গণতান্ত্রিক বিশ্বের সহযাত্রী হয়েছিল। মত প্রকাশে মুখের ভাষা আর বোধ প্রকাশে নিজেকেই পোস্টার করা- বোধ আর মত প্রকাশের বৈশ্বিক ইতিহাসে অনবদ্য আমাদের এই দেশ- বাংলাদেশ!

 

বিদেশের বিরুদ্ধে দুই প্রকার যুদ্ধ হয়- সশস্ত্র যুদ্ধ ও কূটনৈতিক যুদ্ধ। বিশ্বের ইতিহাসে এক্ষেত্রে দু’টি দেশ প্রায় প্রবাদপ্রতীম হয়ে আছে। একটি ভিয়েতনাম, আপন ভূখন্ড বা জাতীয় সীমানায় যে দেশটি সশস্ত্র যুদ্ধে মার্কিন পরাশক্তিকে পরাস্ত করেছিল। আর ১৯৭১-এ বাংলাদেশ, কূটনৈতিক যুদ্ধে চীন-মার্কিন পরাশক্তিকে পরাভূত করেছিল। অগ্রসরমান কূটনৈতিক বিশ্বে বাংলাদেশই বিস্ময়। আমরা ভিয়েতনামের কথা জানলেও নিজ দেশটির সেই প্রবাদপ্রতীম বিজয়কে জানি না।

 

সংবিধান অনুসারে স্বাধীন এ দেশটির সার্বভৌমত্বের মালিক জনগণ। আর তাই জন-সংশ্লিষ্টতায় রাজনীতিই সর্বাগ্রে বিবেচিত হয় কিংবা জনসংশ্লিষ্টতা নিরূপণে নির্বাচন মারফত সরকারই দেশের চালক ভূমিকায় নির্দিষ্ট হয়ে থাকে। কিন্তু রাজনীতি নিজেই যখন রাজনীতিহীন হয়ে ওঠে তখন দেশটা মগের মুল্লুক হয়ে পড়ে। এ কারণেই একটি দেশে অনেক কিছু না থাকলেও চলে কিংবা চেষ্টা করলে তার বিকল্প মেলে কিন্তু রাজনীতিটা যথাযথ না থাকলে সে দেশ অচল হয়ে পড়ে। কারণ রাজনীতিহীন কোন সার্বভৌম দেশের অস্তিত্ব পৃথিবীর জানা নেই

 

দেশে একটি সংবিধান আছে বলেই- রাষ্ট্রীক দিক থেকে জরুরী এবং বিশেষ অবস্থার সাথে সাধারণ অবস্থারও পার্থক্য আছে। অথচ সংসদ বহাল থাকার পরেও আইন না করে বছরের পর বছর সার্চ কমিটি গঠনের মতো নাটকীয়তা বা অপ্রাতিষ্ঠানিকতা চলতে থাকলেও এদেশে কোনো প্রশ্ন ওঠে না। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বগত শর্তে কোনো দল অনিবার্যভাবেই সরকারের অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট হওয়ার পরও তাকে সংসদের বিরোধী দল হিসেবে ট্রিট করলে যে তা হয়ে যায় না- এমনকি বিশ্বের অপরাপর রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিরা সরকারী সফরে এসে ‘বর্তমান’ নয় বরং ‘সাবেক’ সংসদের বিরোধী দল ও নেতাকেই খোঁজে বা সাক্ষাৎ করে সেটা দেখেও আমরা বুঝি না- রাষ্ট্রীয় গ্রামারটা বদলে যায়নি বলেই বিশ্বের কাছে ৫ই জানুয়ারী ২০১৪ পরবর্তী সংসদ, বিরোধী দলহীন একটি সংসদ হিসেবেই ট্রিট হয়েছে!

 

স্মর্তব্য, ৭০ এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছিলেন আর ‘প্রাতিষ্ঠানিক’ সেই স্বীকৃতির পথ ধরেই বিশ্বের কাছে যুক্তিযুক্ততায় বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সরকার বা যুদ্ধকালীন স্বাধীন সরকার স্বীকৃত হয়েছিল। এ কারণে বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতেও তাঁকেই সরকার প্রধান করা অনিবার্য ছিল। অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় গ্রামারটা ছিল, আছে এবং গ্লোবালাইজেশনের বর্তমান বাস্তবতায় রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সেটা জানা জরুরী। কারণ সেই না জানাটা অনেক সময় রাজনৈতিক অমর্যাদায় ফেলে দেয়।

 

শিশুতোষ বালখিল্যে ‘কী বিচিত্র এ দেশ সেলুকাস’! . . . ‘অদ্ভূত উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ বিরানায় . . . স্বাধীনতা হায় বৃথা যায়, বৃথা যায়, বৃথা যায়’!

 

‘ইতিহাসকে বদলানো যায় না’ যে অর্থে সে অর্থেই ৭১-এর ইতিহাস প্রসঙ্গে বিএনপি যেমন অবান্তর হয়ে পড়ে তেমনি ৯০ পরবর্তী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বাইরে অপরাপর দলের রাজনৈতিক ভূমিকা আজ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে!

 

৯০ পরবর্তী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকায় একক অথবা জোটবদ্ধভাবে অদ্যাবধি শুধু আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ছিল। ধারাবাহিকতার সে ইতিহাসগত কারণেই দুটো দল না থাকলে বিরাজনীতিকরণের তত্ত্ব কিংবা একটি দল না থাকলে অপর দলটি একক রাজনৈতিক ভূমিকায় ক্রিয়াশীল হয়ে উঠবে এটাই ভবিতব্য থাকে।

 

স্বাধীনতার ইতিহাস একটি দেশের ইতিহাস- কেবল একটি দল বা পক্ষের ইতিহাস হতে পারে না। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধীদের বিচার ও ধারাবাহিক শাস্তির প্রত্যক্ষতার পথ ধরে স্বাধীনতা সংগ্রাম একটি পক্ষের- ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের ভাবাদর্শ হিসেবে ক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে। স্বাভাবিকভাবেই স্বাধীনতা আর দেশ সমার্থক বলেই ক্ষমতাসীন দলের বিপক্ষে কথা বলা পক্ষান্তরে দেশ বিরোধীতার সমার্থক হয়ে ওঠে- এভাবে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের কার্যকারিতা স্থগিত হয়ে যায়।

 

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মধ্যেই আজ একদলীয় শাসনব্যবস্থা জেঁকে বসেছে। অতঃপর গণতন্ত্র বা নির্বাচন, সংবিধান বা জনগণ সবটাই আজ একদলীয় ঢক্কা নিনাদ মাত্র!

 

অতীত যদি বর্তমানকে বুঝার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে ওঠে তবে সে অতীত আলো না হয়ে জাতীয় জীবনে- চোখের ঠুলি হয়ে পড়ে। কারণ বিগতের কাছ থেকে মানুষ শিখলেও সে পথ হাঁটে সামনের দিকে তাকিয়ে। অতীতের পরিণতি অর্থেই থাকে বর্তমান আর বর্তমানে দাঁড়িয়েই ঘোষিত হয় ভবিষ্যৎ ও তার দিক নির্দেশনা।

 

প্রযুক্তিগত উত্তরণ সাযুজ্যতায় সমগ্র পৃথিবীর চেহারাটা আজ মানুষের হাতে হাতে ঘোরে- তাই আগামীর বাংলাদেশ অথবা আধুনিক রাজনীতি আজ অনিবার্য।

 

অতএব, ৭১’র মাউজার এখনও যাঁদের পূর্ব পুরুষদের হাড়-গোড় ফাঁক-ফোকর গলে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে অথবা উত্তর পুরুষ শিয়রে দাঁড়িয়ে এখনও বলে ‘লাব্বাইক’! এই মাটিতেই বেড়ে বলে ওঠা সেই মানুষগুলো নিশ্চয় আজ বলবে, “Hold your tongue, let me love my Country, my Independence and my Democracy”

 

নিঃসন্দেহে তাঁর বুকের মধ্যে অনুরণিত হবে সমুদ্রের গর্জন- ‘আমি আমার দেশ ও দেশের মানুষকে খুব ভালোবাসি’। কারণ ‘ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে’।

 

সুতরাং জাতীয় শিশু দিবস হয়ে উঠুক সেই শিশু সমেত সহস্র শ্রেষ্ঠদের আগমনী বার্তা। 

 

[ বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০১৮, সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলসমূহের সংলাপ অনুষ্ঠানের প্রথম দিন ২৪শে আগস্ট ২০১৭ সালে মুক্তিজোট নিবন্ধিত সব দল (৪০টি দল) নিয়ে ‘জাতীয় পরিষদ’ গঠনের প্রস্তাব দেয়- যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক দিশাসমেত ‘জাতীয় ঐক্যে’র সুনির্দিষ্ট রূপরেখা জমা দেয়া হয়েছিল ; এমনকি উক্ত সংলাপের দুদিন পর সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন কমিশন তা পাস করার সিদ্ধান্তে আইনগত দিকটি খতিয়ে দেখার কথা জানায় (২৭শে আগস্ট ২০১৭ জাতীয় দৈনিক সমূহ)। অপরাপর দলের সাথে সংলাপ শেষ করার আগেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা একটি দল প্রসঙ্গে গুরুত্ব দেয়ার অভিযোগে নির্বাচন কমিশন সমালোচিত হয় (২৭শে আগস্ট ২০১৭ প্রথম আলো)। বলাবাহুল্য, জাতীয় ঐক্যের সে প্রস্তাবটি শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি অথচ একাদশ সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে গত ২৫শে জানুয়ারী ২০১৯ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ ও জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে ‘জাতীয় ঐক্যের ডাক দেন’। . . .

 

মুক্তিজোট প্রস্তাবিত ‘জাতীয় পরিষদ’-এর সাংবিধানিক রূপ দেয়ার মধ্য দিয়েই কেবল এদেশ গৃহযুদ্ধের শঙ্কা থেকে মুক্ত হতে পারে, পরমত সহিষ্ণুতার গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ফিরে পেতে পারে- স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ হয়ে উঠতে পারে গণতান্ত্রিক বিশ্বের পথিকৃৎ। দুটো দল না থাকলে বিরাজনীতিকরণ কিংবা একটি দল না থাকলে অপর দলটির জন্য এক দলীয় শাসন ; সব অর্থেই রাজনীতিহীনতার প্রতিরোধে জাতীয় পরিষদ পাস করার মধ্য দিয়ে অনবদ্য বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা কী শ্রেয় নয়? স্মর্তব্য, ১৯৭৫’র ২৫শে জানুয়ারী এবং ২০১৯’র ২৫শে জানুয়ারীর মধ্যে সময়ের অনেক ব্যবধান! কেবল ব্যবধান নেই একটি বোধ ও বাক্যের, ‘আমি আমার দেশ ও দেশের মানুষকে খুব ভালোবাসি’।]



ক্রমিক
শিরোনাম
তারিখ
১০
স্বাধীনতার ইতিহাস একটি দেশের ইতিহাস- কেবল একটি দল বা পক্ষের ইতিহাস হতে পারে না ; সেটা হলে গণতন্ত্র স্থগিত হয়ে পড়ে। সুতরাং ফাল্গুনের অগ্নিভ উচ্চারণে ছিলো- অ আ ক খ আর ২৬শে মার্চ অগ্নিঝরা ঘোষণায় আজ- March FOR BANGLADESH! নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সব দল নিয়ে (বর্তমানে নিবন্ধিত দল ৪০টি) জাতীয় পরিষদ গঠন করতে হবে এবং উক্ত ৪০ দল নিয়ে গঠিত জাতীয় পরিষদকেই অন্তর্বর্তী বা নির্বাচনকালীন সরকারের (তত্ত্বাবধানগত ভূমিকায় Suo Motu Government ) ঘোষণা দিতে হবে। ২০১৯-০৬-১৭
মহান মে দিবস উপলক্ষে মুক্তিজোট- এর পক্ষ থেকে সবাইকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা। ২০১৯-০৫-০১
প্রথম অস্থায়ী জাতীয় সরকার ও তার কর্মপ্রবাহের পরিণতি-ই আজকের সার্বভৌম বাংলাদেশ ২০১৯-০৪-১৭
স্বাধীনতার ইতিহাস একটি দেশের ইতিহাস- কেবল একটি দল বা পক্ষের ইতিহাস হতে পারে না ; সেটা হলে গণতন্ত্র স্থগিত হয়ে পড়ে। সুতরাং ফাল্গুনের অগ্নিভ উচ্চারণে ছিলো- অ আ ক খ আর ২৬শে মার্চ অগ্নিঝরা ঘোষণায় আজ- March FOR BANGLADESH! নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সব দল নিয়ে (বর্তমানে নিবন্ধিত দল ৪০টি) জাতীয় পরিষদ গঠন করতে হবে এবং উক্ত ৪০ দল নিয়ে গঠিত জাতীয় পরিষদকেই অন্তর্বর্তী বা নির্বাচনকালীন সরকারের (তত্ত্বাবধানগত ভূমিকায় Suo Motu Government ) ঘোষণা দিতে হবে। ২০১৯-০৩-২৬
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনঃ জাতীয় শিশু দিবস। ধর্মের জন্যে আছে ঐশী গ্রন্থ- বেদ, বাইবেল, আল-কোরান; দেশ ও রাজনীতির জন্যেও তেমনি গুরুত্বে আজ ইতিহাস! অতএব ইতিহাস কথা কও. . . . . . ২০১৯-০৩-১৭
৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্ব স্বীকৃতির পথ ধরে এখন বৈশ্বিক! ২০১৯-০৩-০৭
বিচার বিভাগের দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে ২০১৯-০২-২১
শুভ বড়দিন। যীশু খ্রিস্টের জন্মোৎসবে সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছা। ২০১৮-১২-২৫
বিজয়ের এই মহান দিনে পৃথিবীর সব মানুষকে শুভেচ্ছা ২০১৮-১২-১৫
অবিলম্বে “১৪ই ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসকে রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষণা করতে হবে”। ২০১৮-১২-১৩

previous12345next