[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

কহতব্য

 

‘ভিশন- ২০৩০’ এর ৩নং ধারাটি- বিএনপি’র নাকি মুক্তিজোটের? জানতে চেয়ে বিএনপি - কে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান করলো মুক্তিজোট।


        গত ১০ই মে, ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে বিএনপি’র সম্মানিত চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া দেশবাসীর উদ্দেশ্যে তাঁর দলের ভবিষ্যৎ রূপকল্প তথা ভিশন- ২০৩০এর নং ধারাতে উল্লেখ করেনঃ

       “আমরা ‘ওয়ান ডে ডেমোক্রেসি’তে বিশ্বাসী নই। জনগণের ক্ষমতাকে কেবল নির্বাচনের দিন বা ভোট দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চায়না বিএনপি। নিত্যদিনের জন-আকাঙ্খাকে মর্যাদা দিয়ে তাদেরকে সম্পৃক্ত করেই রাষ্ট্র পরিচালনা করব আমরা।” 

 

       আর মুক্তিজোট-এর (ওয়েবসাইট-এ স্থায়ী টাইটেল ডিসপ্লে হিসেবে থাকা) জাতীয় রাজনীতি প্রসঙ্গে ভাবাদর্শিক স্লোগানঃ-

“জনগণ কেবল সরকার গঠন করবে না, সরকার চালনাও করবে-

সরকার প্রসঙ্গে ভোট শুধু একবার নয় বরং সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে বারবার।”

 

       উল্লেখ্য, গত ২১শে ডিসেম্বর ২০১৬ খ্রিঃ বিএনপি সহ সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে মুক্তিজোট কর্তৃক প্রকাশিত গ্রন্থ মার্চ ফর বাংলাদেশ পাঠানো হয়েছিল- গ্রন্থটির বিষয়বস্তু সংশ্লিষ্টতায় ‘প্রচ্ছদ শ্লোগান’ ছিল এটি।

 

       মুক্তিজোটের উক্ত স্লোগানে, কেবল না প্রত্যয়ে ‘ওয়ানডে ডেমোক্রেসি’ নয় (সরকার প্রসঙ্গে ভোট শুধু একবার নয়) বরং হ্যাঁ প্রত্যয়ে ‘ডেইলি ডেমোক্রেসি (সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে বারবার)-’র ভাবাদর্শিক দিকটাও (আইডিয়া) সুনির্দিষ্টতায় উল্লেখ করা হয়েছে এবং সেখানে সুস্পষ্টতায় ঘোষণা করা হয়েছে ‘জনগণ কেবল সরকার গঠন করবে না, সরকার চালনাও করবে’। নিঃসন্দেহে এখানে জনগণকে সরকারের চালক ভূমিকায় (ওয়ান ডে ডেমোক্রেসিনয় বরংডেইলি ডেমোক্রেসি) প্রতিষ্ঠার নতুন রাজনৈতিক প্রত্যয় ঘোষিত থেকেছে। আর উল্লিখিত স্লোগানের প্রাত্যহিক জীবন সংশ্লিষ্ট সরলীকরণে লেখা ছিল “...দূরে থেকেও যেভাবে মোবাইল ফোনে সংসার চালান, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন- সেভাবেই জনগণ আজ সরকার চালাবেনসুতরাং খুব সহজেই এটা বোধগম্য ‘সরকার প্রসঙ্গে ওয়ান ডে ডেমোক্রেসি নয় বরং সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে ডেইলি ডেমোক্রেসি’- মুক্তিজোটের রাজনৈতিক দিশায় বহু আগেই  নির্দিষ্ট।

 

       এক্ষেত্রে, বিএনপি’র ঘোষিত নতুন আদর্শিক বিশ্বাস হিসেবে উল্লিখিত ‘ভিশন- ২০৩০’ এর ৩নং ধারাটি- বিএনপি নাকি মুক্তিজোটের?

 

       উক্ত প্রাসঙ্গিকতায়, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট- এর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপার্সন ও মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দের কাছে নিন্মোক্ত তিনটি অনুরোধ জানিয়ে একটি পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। যথাঃ-

       i.       মুক্তিজোটের মতাদর্শিক দিশার বাইরে যদি ভিন্ন কোনো অর্থে ওয়ানডে ডেমোক্রেসি প্রসঙ্গটি বলে থাকেন তবে তা সুস্পষ্ট সুনির্দিষ্টতায় সবাইকে জানান।

অথবা-

       ii.      এটা আদর্শিক বিশ্বাস তথা নীতিগত দিক বিধায় যতো দ্রুত সম্ভব পারস্পারিক স্বচ্ছতার প্রশ্নে যৌথ আলোচনার আহবান করুন। 

নতুবা-

       iii.    ৩ নং ধারাটি বাতিল করুন।

 

       এছাড়া, দীর্ঘ অনুশীলনের অভ্যস্ততায় একটি দলের নেতা কর্মীদের মধ্যে যেমন এক ধরণের পারিভাষিক বোধ গড়ে ওঠে তেমনি অপরের কাছেও তা ক্রমশঃ পরিচিত হয়ে ওঠে। ভিশন- ২০৩০ ব্যাপকভাবে মুক্তিজোট- এর পরিভাষাকে ব্যবহার সহ প্রত্যয়গত (idiom) ভাবার্থকে গ্রহণ করা হয়েছে যে কারণেভিশন- ২০৩০ এ ব্যবহৃত অনেক পারিভাষিক শব্দই বিএনপি’র নেতা- কর্মীদের কাছে যেমন অচেনা ও নতুন মনে হতে বাধ্য তেমনি ব্যাপকের কাছেও খুব সহজেই সেটা বিএনপির নয় বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। যে কেউই মুক্তিজোটের সাংগঠনিক পেপার্স- চোখ রাখলেই সত্যটি অনুধাবন করতে পারবেন!

 

       উল্লেখ্য, মুক্তিজোট সুনির্দিষ্ট আদর্শভিত্তিক সংগঠন হওয়াতে স্বাভাবিক ভাবেই তার পরিভাষিক দিকটিও স্বতন্ত্র এবং নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল সমূহের মধ্যে মুক্তিজোট’ই একমাত্র দল- যে দল ভেঙ্গে দল গড়ার প্রচলিত ছবির বাইরে প্রায় ১২ বছর তার নীতি- আদর্শভিত্তিক ‘সাংস্কৃতিক সংগ্রামে’র পথ ধরেই রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে ‘পরিণতি’ লাভ করে। আর রাষ্ট্রতত্ত্ব অনুসারে রাজনৈতিক দল গড়ে তোলার এটাই হল গ্রামার- যা স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল গঠনের ক্ষেত্রে কেবল মুক্তিজোটই অনুসরণ করেছে।

 

       [২০১২ সালে নির্বাচন কমিশনে জমাকৃত মুক্তিজোট- এর গঠনতন্ত্রের ভূমিকা ৩৯ নং অনুচ্ছেদ- উল্লেখ আছে যে,... ‘সুনির্দিষ্ট আদর্শনিষ্ঠতায় বর্ণিত লক্ষ্য, উদ্দেশ্য মূলনীতি এবং তদসংশ্লিষ্ট এই সংগঠন-পরিকাঠামো বা গঠনতন্ত্র স্বাভাবিকভাবেই প্রচলিত সংগঠন-কাঠামো থেকে স্বকীয় স্বতন্ত্র এবং দর্শননিষ্ঠতায় পরিভাষাগতভাবে ভিন্ন, অর্থাৎ মূলগত অর্থে ব্যবহৃত শব্দগুলোপ্রত্যয়হিসেবে নির্দিষ্ট’...]

*** জ্ঞাতব্যঃ চিঠির অনুলিপিটিসাংগঠনিক নিউজ’- দেয়া হয়েছে



ক্রমিক
শিরোনাম
তারিখ
১০
জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা ২০১৯-০৮-২৩
ন্যাপ সভাপতি অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ আর নেই ২০১৯-০৮-২৩
জাতীয় শোক দিবস- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ২০১৯-০৮-১৫
স্বাধীনতার ইতিহাস একটি দেশের ইতিহাস- কেবল একটি দল বা পক্ষের ইতিহাস হতে পারে না ; সেটা হলে গণতন্ত্র স্থগিত হয়ে পড়ে। সুতরাং ফাল্গুনের অগ্নিভ উচ্চারণে ছিলো- অ আ ক খ আর ২৬শে মার্চ অগ্নিঝরা ঘোষণায় আজ- March FOR BANGLADESH! নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সব দল নিয়ে (বর্তমানে নিবন্ধিত দল ৪০টি) জাতীয় পরিষদ গঠন করতে হবে এবং উক্ত ৪০ দল নিয়ে গঠিত জাতীয় পরিষদকেই অন্তর্বর্তী বা নির্বাচনকালীন সরকারের (তত্ত্বাবধানগত ভূমিকায় Suo Motu Government ) ঘোষণা দিতে হবে। ২০১৯-০৬-১৭
মহান মে দিবস উপলক্ষে মুক্তিজোট- এর পক্ষ থেকে সবাইকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা। ২০১৯-০৫-০১
প্রথম অস্থায়ী জাতীয় সরকার ও তার কর্মপ্রবাহের পরিণতি-ই আজকের সার্বভৌম বাংলাদেশ ২০১৯-০৪-১৭
স্বাধীনতার ইতিহাস একটি দেশের ইতিহাস- কেবল একটি দল বা পক্ষের ইতিহাস হতে পারে না ; সেটা হলে গণতন্ত্র স্থগিত হয়ে পড়ে। সুতরাং ফাল্গুনের অগ্নিভ উচ্চারণে ছিলো- অ আ ক খ আর ২৬শে মার্চ অগ্নিঝরা ঘোষণায় আজ- March FOR BANGLADESH! নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সব দল নিয়ে (বর্তমানে নিবন্ধিত দল ৪০টি) জাতীয় পরিষদ গঠন করতে হবে এবং উক্ত ৪০ দল নিয়ে গঠিত জাতীয় পরিষদকেই অন্তর্বর্তী বা নির্বাচনকালীন সরকারের (তত্ত্বাবধানগত ভূমিকায় Suo Motu Government ) ঘোষণা দিতে হবে। ২০১৯-০৩-২৬
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনঃ জাতীয় শিশু দিবস। ধর্মের জন্যে আছে ঐশী গ্রন্থ- বেদ, বাইবেল, আল-কোরান; দেশ ও রাজনীতির জন্যেও তেমনি গুরুত্বে আজ ইতিহাস! অতএব ইতিহাস কথা কও. . . . . . ২০১৯-০৩-১৭
৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্ব স্বীকৃতির পথ ধরে এখন বৈশ্বিক! ২০১৯-০৩-০৭
বিচার বিভাগের দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে ২০১৯-০২-২১

previous12345next