[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে প্রথম বাধা পেরুল ব্রেক্সিট বিল
০২-০২-২০১৭

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে সরকারের ব্রেক্সিট বিল ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ এমপির সম্মতি পেয়েছে।

 

১লা ফেব্রুয়ারি ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে ভোট গ্রহণ করা হয়। বিরোধী দলে থাকা লেবার পার্টির সমর্থনে পার্লামেন্টের ভোটাভুটিতে সরকারের ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিল পেয়েছে ৪৯৮ ভোট। এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ১১৪ জন এমপি।

 

দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে লেবার পার্টির ৪৭ জন এমপিও বিপক্ষে ভোট দেন,  যাদের  মধ‌্যে বাঙালি তিন এমপি রুশনারা আলী, রূপা হক ও টিউলিপ সিদ্দিক রয়েছেন। এসএনপি, প্লাইড ক‌্যামেরু ও লিব ডেম এমপিরাও ভোটাভুটিতে এই বিলের বিরোধিতা করেন।

 

বিবিসি খবরে বলা হয়েছে, এই বিল আইনে পরিণত হওয়ার আগে হাউজ অব কমন্স ও হাউজ অব লর্ডসে আরও যাচাই বাছাই হবে। আর বিল পাশ হয়ে গেলেই প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে লিসবন চুক্তির আর্টিকেল ৫০ প্রয়োগ করে ইইউ থেকে বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন, যা পূর্বেই টেরিজা মে ৩১ মার্চের মধ্যে শুরু করার ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন।

 

প্রসঙ্গতঃ গত বছর জুনে ঐতিহাসিক গণভোটে যুক্তরাজ্যের জনগণ ২৮ দেশের ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ‌্যের বেরিয়ে আসার পক্ষে রায় দেয়। গণভোটে অপ্রত্যাশিত ওই ফলের পর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরে যান ডেভিড ক্যামেরন, দায়িত্ব নেন কনজারভেটিভ পার্টির নতুন নেতা টেরিজা মে। ব্রেক্সিট বিতর্কে নতুন জটিলতা এড়াতে টেরিজা মে পার্লামেন্টে ভোটাভুটি এড়িয়ে সরকার প্রধানের নির্বাহী ক্ষমতাবলে আর্টিকেল ৫০ প্রয়োগ করার চেষ্টা করলেও সুপ্রিম কোর্টে এক রিট আবেদনের কারণে তার সেই চেষ্টা আটকে যায়।

 

গত ২৪ জানুয়ারি ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে যুক্তরাজ‌্যের সুপ্রীম কোর্টের রায়ে বলা হয়, ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া শুরু করার আগে সরকারকে অবশ‌্যই ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অনুমোদন নিতে হবে। এরপর ৩১শে জানুয়ারি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সরকারের দ্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (নোটিফিকেশন অব উইথড্রয়াল) বিলের ওপর বিতর্ক শুরু হয়। দুই দিন বিতর্কের পর বুধবার ভোট দেন এমপিরা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন হাউজ অব কমন্সের এই ভোটের ফলকে বর্ণনা করেছেন ‘ঐতিহাসিক’ সিদ্ধান্ত হিসেবে। 

 

ব্রেক্সিটের পক্ষের প্রথম সারির নেতা জনসন ফেইসবুকে বলেছেন, “আমরা হয়তো ইউরোপীয় চুক্তি থেকে সরে যাচ্ছি, ইউরোপ থেকে না। যুক্তরাজ‌্য একটি নতুন পরিচয় নিয়ে আবির্ভূত হবে এবং ইউরোপের কল‌্যাণে অনন‌্যসাধারণ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”  

 

তথ্য সূত্রঃ
http://bangladesh.shafaqna.com/BD/BD/1613853