[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
লন্ডনে ইংরেজির পরে বাংলাই দ্বিতীয় কথ্য ভাষা
০৫-১২-২০১৯

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কথ্য ভাষার মর্যাদা পেয়েছে বাংলা। ২রা ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে সিটি লিট নামের একটি বয়স্ক শিক্ষার চ্যারিটি সংস্থার জরিপে এই তথ্য উঠে  এসেছে। জরিপ রিপোর্টে বলা হয়েছে, লন্ডন সিটিতে প্রায় ৩ লাখ বাসিন্দা বাসা-বাড়িতে নিজস্ব ভাষায় কথা বলেন, তখন ইংরেজি ভাষা হয়ে যায় দ্বিতীয় ভাষা! রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে লন্ডনে প্রায় ৭২ হাজার বাংলা ভাষাভাষী লোক রয়েছে। জনপ্রিয়তা ও ব্যবহারের দিক থেকে ইংরেজির ঠিক পরেই এর অবস্থান। পোলিশ ও তুর্কি রয়েছে বাংলার পরেই। লন্ডনের ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩১১ বাসিন্দা বাংলা, পোলিশ এবং তুর্কি এই তিনটির মধ্যে যে কোনো একটিতে কথা বলেন।

 

উল্লেখ্য, ব্রিটেনে সর্বাধিক সংখ্যক বাংলাদেশির বসবাস টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলে। এই কাউন্সিলেই প্রথম ব্রিটিশ বাংলাদেশি এমপি রুশনারা আলী ব্রিটিশ পার্লামেন্ট অলংকৃত করেন। সেই সঙ্গে এই বারাহ এর সর্বাধিক সংখ্যক বাংলাদেশি কাউন্সিল রয়েছে। এ ছাড়া টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের বিভিন্ন রাস্তা, বিল্ডিং, স্কুল, সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামকরণও হয়েছে বাংলায়।

 

প্রসঙ্গতঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বাঙালিরা ব্রিটেনে পাড়ি জমাতে থাকে। তখন ব্রিটেনে আসতে ভিসা লাগতো না। তারা আসতেন ভাউচার নিয়ে। ভাষার দুর্বোধ্যতা, বৈরি আবহাওয়া আর বর্ণবাদকে মোকাবেলা করতে করতে, বাঙালি একদিন মাথা তুলে দাঁড়ালো। শিক্ষায়, রাজনীতিতে, সমাজসেবা ও বাণিজ্যে বাঙালি দেখালো আশ্চর্য এক চমক। বাঙালিরা লন্ডনের বুকে প্রতিষ্ঠা করেছে বাংলা টাউন, বাংলায় লিখে সাইন বোর্ড, বাংলায় রাস্তার নাম, শহীদ মিনার।

 

লন্ডনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং বাসিন্দাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে একটি সমীক্ষা চালায় সংস্থাটি।