[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
বিশ্বের যে প্রান্তেই থাক না কেন মাতৃভূমিকে কখনো ভুলবে নাঃ বুয়েট সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি
২০-০৩-২০১৯

শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সবসময় আন্তরিক হতে পরামর্শ দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, তোমরা চাকরির সুবাদে বিশ্বের যে প্রান্তেই থাক না কেন নিজ মাতৃভূমিকে কখনো ভুলবে না। সর্বদাই বড় হবার স্বপ্ন দেখবে- দেশ, জাতি, সমাজ এবং নিজের কল্যাণের জন্য কাজ করে যাবে।

 

        মাননীয় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ১৯শে মার্চ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একাদশ সমাবর্তনে ডিগ্রিপ্রাপ্তদের উদ্দেশে আরও বলেন “কখনো সত্যের সাথে মিথ্যার আপস করবে না। সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলার সৎ সাহস রাখবে। সিমেন্টের বদলে বালি আর রডের বদলে বাঁশ দিয়ে বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখবে না।”

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মাননীয় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ নবীন প্রকৌশলীদের উদ্দেশে বলেন, সবসময় বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখতে হবে। সেই স্বপ্ন হবে দেশ, জাতি, সমাজ, পরিবার ও নিজের কল্যাণে। “সাফল্যের পেছনে না ছুটে কর্মের পেছনে ছুটবে। দেখবে তোমার কর্ম তোমার জন্য সাফল্য আর সুনাম বয়ে আনবে। মনে রাখবে, অন্যায় ও অসৎ পথের যে-কোনো অর্জন ক্ষণস্থায়ী। তাতে সম্মান নেই, আছে ঘৃণা আর জীবনভর অনুশোচনা। “তাই জীবনে সবকিছু করবে নিজের মেধা, সততা ও আন্তরিকতাকে কাজে লাগিয়ে। চিন্তা চেতনায় সৎ থাকলে আর আত্মবিশ্বাস মজবুত হলে জয় তোমাদের অনিবার্য। তখন সাফল্যই তোমাকে খুঁজে নেবে।”

 

প্রকৌশল বিষয়ে উচ্চতর লেখপড়া করার জন্য যারা বিদেশে যাবেন, তাদের আবার দেশে ফিরে দেশের কাজে লাগার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, “আমাদের দেশ থেকে প্রতিবছর উচ্চ শিক্ষার্থে বিপুল সংখ্যক প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ, স্থপতি ও পরিকল্পনাবিদ ইউরোপ, আমেরিকাসহ উন্নত দেশগুলোতে যাচ্ছেন। কিন্তু উচ্চশিক্ষা গ্রহণ শেষে অনেকেই দেশে ফেরেন না। ফলে দেশ তাদের মেধা ও সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। “অথচ দেশেই এখন উপযুক্ত কর্মপরিবেশ ও কাজ করার বিশাল ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। তাই আপনাদের সবাইকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে অধিকতর অবদান রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।” সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরে এ বিষয়ে প্রকৌশলীদেরও ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

 

সমাবর্তনে ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন বিভাগ থেকে ৫ হাজার ২৮৪ জন শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েট, পোস্টগ্র্যাজুয়েট এবং পিএইচডি ডিগ্রি সনদ গ্রহণ করেন। ১৮ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্তির জন্য স্বর্ণপদক লাভ করেন।

 

অনুষ্ঠানে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সমাবর্তন বক্তব্য রাখেন। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, বুয়েটের উপাচার্য সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

তথ্য সূত্রঃ

https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1604018.bdnews

https://www.channelionline.com/

https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1584304/