[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
বিশ্বযুদ্ধ অবসানের শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানে- জাতীয়তাবাদকে প্রত্যাখানের আহ্বান
১২-১১-২০১৮

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ অবসানের শতবর্ষ পূর্তির স্মরণানুষ্ঠান উপলক্ষে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে জড়ো হয়েছেন বিশ্বের প্রায় ৭০ দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান। যুদ্ধে নিহত সৈন্যদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করছেন তারা।



বিবিসি জানিয়েছে, এ উপলক্ষে ১১ই নভেম্বর প্যারিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ বিশ্ব নেতাদের জাতীয়তাবাদকে প্রত্যাখানের আহ্বান জানিয়েছেন। প্যারিসে সমবেত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ বিশ্বের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে বক্তৃতাকালে ম্যাখোঁ জাতীয়তাবাদকে ‘দেশপ্রেমের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।



 ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর এক চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে । ওই চুক্তিটি  ‘আরমিসটিস’ (সংঘাতের অবসান) নামে পরিচিত। আজ শতবর্ষ পূর্ণ করল শান্তি প্রতিষ্ঠার সেই ঐতিহাসিক দিনটি।



প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম রক্তাক্ত লড়াই। ১৯১৪ সালের ২৮ জুন খুন হন তৎকালীন ‘অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান’ রাজসিংহাসনের উত্তরাধিকারী আর্চ ডিউক ফ্রানজ ফার্ডিনান্ড। এক সার্বীয় তাকে হত্যা করেন। অস্ট্রিয়া এ হত্যাকাণ্ডের জন্য সার্বিয়াকে দায়ী করে। এরপর  ওই বছরের ২৮ জুন সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ‘অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি’। আর এ থেকেই সূচনা হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের।



ওই যুদ্ধে একপক্ষে ছিল জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া এবং অটোমান সাম্রাজ্য। এদের বলা হয় ‘দ্য সেন্ট্রাল পাওয়ারস’। আর অন্য পক্ষে ছিল ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি, রোমানিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র। এদের বলা হয় ‘দ্য অ্যালাইড পাওয়ারস’।



যুদ্ধে প্রায় এক কোটি সামরিক সদস্য এবং প্রায় ৭০ লাখ বেসামরিক লোক নিহত হন।  এদের মধ্যে ‘দ্য অ্যালাইড পাওয়ারস’ -এর সামরিক সদস্য নিহত হন ৫৭ লাখ। আর বেসামরিক লোক নিহত হন ৩৭ লাখ। অন্যদিকে, ‘দ্য সেন্ট্রাল পাওয়ারস’ -এর সামরিক সদস্য নিহত হন ৪০ লাখ। আর বেসামরিক লোক নিহত হন ৩১ লাখ।



দেশে দেশে নানা আয়োজনে এ দিবসটি পালিত হচ্ছে। ওই যুদ্ধের অন্যতম রণক্ষেত্র ইউরোপের দেশগুলোয় প্রতিবছরই দিবসটি পালন করা হয়। তবে শতবর্ষ উপলক্ষে এবারের আয়োজন অন্যবারের তুলনায় আলাদা এবং ব্যাপক পরিসরে করা হয়েছে।

 

তথ্যসূত্রঃ

http://www.labanglatimes.com/news/details/International/11303

https://www.voabangla.com/a/first-world-war-/4653816.html