[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
তথ্য অধিকার আইনের আওতায় রাজনৈতিক দলগুলোর আয়ের উৎস প্রকাশ করতে হবেঃ এডিআর
২৬-০১-২০১৭

২০০৪-২০০৫ থেকে ২০১৪-২০১৫ সাল পর্যন্ত ১১ টি কর বর্ষের ভারতের রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায় মোট ৭ হাজার ৮৩৩ কোটি রুপি আয় যার উৎস প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি; যা দলগুলোর মোট আয়ের প্রায় ৬৯ শতাংশ।

 

দিল্লিভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস’ এর (এডিআর) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় ও আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলো এই সময়ে মোট আয় করেছে ১১ হাজার ৩৬৭ কোটি রুপি। পরিচিত দাতাদের মাধ্যমে দলগুলো অর্থ সংগ্রহ করেছে এক হাজার ৮৩৫ কোটি রুপি; যা মোট আয়ের ১৫ শতাংশ। সম্পত্তি বিক্রি, চাঁদা, ব্যাংক সুদ, পত্রপত্রিকা বিক্রি এবং লেভি থেকে রাজনৈতিক দলগুলো আয় করেছে এক হাজার ৬৯৮ কোটি রুপি; যা মোট আয়ের ১৬ শতাংশ।

 

এডিআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১১ বছরে প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই এমন উৎস থেকে কংগ্রেসের আয় তিন হাজার ৩২৩ কোটি রুপি যা গড়ে প্রতি বছর ৩০২ কোটি টাকা। তার পরেই রয়েছে বিজেপি তথা বর্তমান ক্ষমতাসীন দল যার তহবিলে উৎসের উল্লেখ নাই এমন আয় ২ হাজার ১২৫ কোটি রুপি যা গড়ে প্রতি বছর ১৯৩ কোটি টাকা।

 

২৪শে জানুয়ারি ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভারতীয় আইন অনুযায়ী, ২০ হাজার টাকা বা তার কম নগদ চাঁদার ক্ষেত্রে দাতার নাম প্রকাশের প্রয়োজন হয় না। তাই রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্য, তাঁদের এই অনুল্লেখিত উৎস থেকে আয় ২০ হাজার টাকার কম চাঁদা থেকেই এসেছে। এ ব্যাপারে সব থেকে এগিয়ে মায়াবতীর দল বিএসপি। তাঁর দাবি, তাঁর দলের আয়ের সবটাই এসেছে মাথা পিছু ২০ হাজার টাকার কম চাঁদা থেকে।

 

আঞ্চলিক দলগুলির মধ্যে উত্তর প্রদেশের সমাজবাদী পার্টি ও পাঞ্জাবের শিরোমনি অকালি দল যথাক্রমে ৯৪ শতাংশ ও ৮৬ শতাংশ আয় দেখিয়েছেন অনুল্লেখিত উৎস থেকে। এদিকে ২০১৩ সালে আত্মপ্রকাশ করা দল আম আদমি পার্টি তিন বছরে আর্থিক প্রতিবেদনে অনুল্লেখিত উৎস থেকে আয় দেখিয়েছেন ১১০ কোটি রুপি।

 

এডিআর এর পর্যবেক্ষণে জাতীয় এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর তথ্য অধিকার আইনের আওতায় সব তথ্য প্রদান করতে সুপারীশ করেন. যা রাজনৈতিক দল সহ নির্বাচন কমিশন এবং গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে। 

 

তারা বিভিন্ন নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর তথ্য বিবেচনা করে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বলে জানান।