[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
ব্রেক্সিট বাস্তবায়নে পার্লামেন্টের অনুমোদন লাগবে
২৫-০১-২০১৭

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টকেই ব্রেক্সিট কার্যকরের বিষয়টি অনুমোদন করতে হবে। গত নভেম্বরে দেওয়া যুক্তরাজ্যের হাইকোর্টের এ রায় বহাল রেখেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।
 

সরকার নির্বাহী ক্ষমতার দোহাই দিয়ে এককভাবে ব্রেক্সিট কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতাদের (এমপি) সম্মতি পেলেই কেবল সরকার ইইউ ত্যাগ করার জন্য অনুচ্ছেদ ৫০ (আর্টিকেল ফিফটি) সক্রিয় করতে পারবে বলে যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত ২৪শে জানুয়ারি ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে সরকারের করা আপিল নাকচ করেন।


ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে আগামী মে মাসের মধ্যে ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সরকার ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া নিয়ে পার্লামেন্টে আলোচনা করতে অস্বীকৃতি জানায়। সরকার দাবি করে, বিদ্যমান ক্ষমতাবলে মন্ত্রিপরিষদই আর্টিকেল ফিফটি সক্রিয় করবে এবং ইইউর সঙ্গে ব্রেক্সিট-পরবর্তী সম্পর্কের শর্ত নির্ধারণ করবে। কিন্তু বিরোধী দলসহ ইইউপন্থী এমপিরা বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই সিদ্ধান্তটি পার্লামেন্টের মাধ্যমেই নিতে হবে।

 

বিষয়টি আদালতে গড়ালে হাইকোর্ট সরকারের অবস্থানের বিপক্ষে রায় দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে সরকার। বিষয়টির সাংবিধানিক গুরুত্ব ও রাজনৈতিক স্পর্শকাতরতার বিবেচনায় সুপ্রিম কোর্ট ১১ জন শীর্ষ বিচারকের সমন্বয়ে বেঞ্চ গঠন করেন, যা যুক্তরাজ্যে নজিরবিহীন ঘটনা।

 

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সরকারের জন্য একটা স্বস্তির বিষয় হলো, ব্রেক্সিট কার্যকরের জন্য দেশটির তিন প্রদেশ স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের সরকারের অনুমোদন লাগবে না বলে জানিয়েছেন।

 

প্রসঙ্গতঃ যুক্তরাজ্যের জনগণ গত বছরের ২৩ জুন অনুষ্ঠিত গণভোটে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার পক্ষে রায় দেন। ইইউ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হলে যুক্তরাজ্যকে ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে প্রণীত লিসবন চুক্তির আর্টিকেল ফিফটির আওতায় আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করতে হবে। ওই আবেদনের দুই বছরের মধ্যে ইইউর সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে ফেলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

 

তথ্য সূত্রঃ

http://timesofindia.indiatimes.com/world/uk/britains-supreme-court-set-to-rule-on-brexit-case/articleshow/56754517.cms

http://www.marketwatch.com/story/brexit-after-the-supreme-court-ruling-what-happens-next-2017-01-25