[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
আদর্শিক মতানৈক্য দূর করতে একমত নেপালের বামপন্থী দুই দল
১৯-০২-২০১৮

আদর্শিক বিষয় নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছেছেন নেপালের শীর্ষ রাজনৈতিক দল সিপিএন-ইউএমএল চেয়ারম্যান কেপি শর্মা ওলি ও সিপিএন-মাওবাদী দলের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান পুষ্প কামাল দাহাল। যদি দল দুটির দ্বিতীয় পর্যায়ের নেতারা কোন বাধা না দেন তাহলে শিগগিরই এই দুই নেতা একটি চুক্তি স্বাক্ষর করবেন।

 

গত ১৮ই ফেব্রুয়ারী ভক্তপুরের পুরোরো থিমিতে দুইজনের একক বৈঠকে বিরোধপূর্ণ বিষয়ে তারা এই ঐক্যমতে পৌঁছান বলে জানিয়েছেন বামপন্থী জোটের নেতারা। ১৯শে ফেব্রুয়ারী খবরটিকে প্রধান শিরোনাম করেছে দেশটির শীর্ষ দৈনিক দ্য হিমালায়ান টাইমস।

 

খবরে বলা হয়, কেপি শর্মা ওলি ও পুষ্প কামাল দাহাল ইউএমএল’র বহুদলীয় গণতন্ত্র ও সিপিএ-এমসি’র জনগণের গণতন্ত্র এবং মাওবাদ বিষয়ে বিতর্কের আয়োজন করতে রাজি হয়েছেন। তারা একত্রিত দলের আদর্শগত বিষয়গুলো নিয়ে একটি সাধারণ সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্তও মেনে নেন। 

 

সূত্র জানায়, ওলি ও দাহাল ইউএমএল’র সংসদীয় সংগ্রাম ও সিপিএন-এমসি’র জনযুদ্ধকে একত্রিত দলের দলিল হিসেবে গ্রহণ করতে রাজি হয়েছেন। দাহালের ব্যক্তিগত সচিব জোখা বাহাদুর মাহারা হিমালায়ান টাইমসকে বলেন, ‘গত বুধবারের বৈঠকের চেয়ে রবিবারের বৈঠক অনেক ইতিবাচকভাবে শেষ হয়েছে।’

 

ইউএমএল নেতারা কোনও ছাড় দিতে রাজি না হওয়ায় দল একত্রিকরণ সমন্বয় কমিটির বুধবারের বৈঠকে অচলাবস্থা ছিল। রবিবারের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে ওলি ও দাহাল যৌথভাবে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকবেন। আর তারা পর্যায়ক্রমে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হবেন। প্রথমবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী হবেন কেপি শর্মা ওলি ।