[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
স্থানীয় সরকার পুনর্গঠনই বড় সমস্যা: অর্থমন্ত্রী
২২-০১-২০১৭

প্রবৃদ্ধির বর্তমান অবস্থান ধরে রাখতে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর পুনর্গঠনকেই বর্তমানে বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

 

বৃহস্পতিবার পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে পারলে প্রবৃদ্ধি ৮-১০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হতে পারে।

 

স্থানীয় সরকার পর্যায়ে কাজ খুব কম হয় মন্তব্য করে তিনি বলেন “আমার কাছে মনে হয়, বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা স্থানীয় সরকাকে রিস্ট্রাকচারিং করা। দেশের আয়তন কম হলেও জনসংখ্যা অনেক বড়। এরা আবার শিক্ষায় পিছিয়ে রয়েছে।

সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমুলক কাজ তথা উদ্যোগগুলো উক্ত প্রতিষ্ঠানের অধীনস্ত হিসেবে স্থানীয় সরকারেরই করার কথা। এমনকি শুধু সিদ্ধান্ত নেওয়া নয় বরং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্বও স্থানীয় সরকারের হাতে যেতে হবে। আর সে ব্যাপারে আমাদের চিন্তা ধারাও খুব স্বচ্ছ নয়। সে কাজগুলো স্থানীয় সরকার হয়ে খুব কম হয়। বরং কাজগুলো এসব প্রতিষ্ঠানের নিম্নতম পর্যায়ের কর্মচারীরাই করে।”

 

এটা কি ভাবে পরিবর্তন করা যায়, সেটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ এবং কষ্টকর। কারণ আমাদের যে ১৮ লাখ ব্যুরোক্রাট তথা আমলা আছে, তারা কোনভাবেই সেই ক্ষমতার প্রতিসংস্থাপন বা নতুন ভাবে বিন্যাস হতে দেন না। চাইলে না চাইলেও অটোমেটিক তারাই সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বি হয়ে যায়। তাই তিনি মনে করেন, শুধু দেশের প্রশাসনিক সংস্কার নয় সাথে সাথে স্থানীয় সরকার সম্পর্কে রাজনৈতিক নেতৃত্বের কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

 

এদিকে প্রবৃদ্ধি হার ৭ শতাংশে রাখতে স্থানীয় সরকারের কাঠামো, দায়িত্ব, অর্থায়ন- এগুলো নিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করার পক্ষে প্রধানমন্ত্রীরও মত আছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

 

ব্যুরোক্রেসি তথা আমলাতন্ত্রের বিন্যাস প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন “১/২ লাখ কেন্দ্রীয় সরকারে রেখে ১৮ লাখ কর্মচারীদেরকে স্থায়ীভাবে জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া উচিত।  ওখানেই তাদের ভবিষ্যত নির্ধারিত হবে। সেটা যদি করা যায়, তাহলে হয়তো একটা পরিবর্তন করা যেতে পারে।

 

“৫০ থেকে ৬০টি দেশ আছে, যারা আমাদের চেয়ে ছোট। প্রায় একই সংখ্যক দেশ আছে যাদের জনসংখ্যা কম। তার মানে আমাদের জেলা ইউনিট অটোনোমাস স্টেট হওয়ার মত। স্টেটের দিকে আমাদের যাওয়া উচিত। তাহলে আমাদের প্রবৃদ্ধি ৮-১০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে, বলেন তিনি।”

 

তথ্য সূত্রঃ

http://bangla.bdnews24.com/economy/article1275200.bdnews

https://www.dailyinqilab.com/article/59629/

http://www.manobkantha.com/2017/01/20/185389.php