[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
শেরপুর জেলা কার্যালয়ে মুক্তিজোটের ১৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত
২৪-১১-২০১৭

বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট-এর ১৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গত ২৪শে নভেম্বর শেরপুর জেলা কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

আলোচনা সভায় শেরপুর জেলা সমন্বয়কারী মোহাম্মদ রেজ্জাক আলী, জেলা স্টিয়ারিং কমিটি প্রধান মোঃ হামিদুল আল আমিন, জেলা কাঠামো পর্ষদ সভ্য মিনহাজুল ইসলাম, জেলা কাঠামোগত সার্বক্ষণিক প্রতিনিধি মোঃ শাকিল আহাম্মদ শিমুল ও মোঃ মিষ্টার হোসেন, জেলা পরিচালনা বোর্ড প্রতিনিধি মোঃ আঃ আলীম, জেলা এডিটোরিয়াল বোর্ড প্রতিনিধি শাহীনুর ইসলাম, নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রধান মোঃ ওয়ালিউল্লাহ এবং শেরপুর সদর উপজেলা প্রধান মোঃ শহর আলী সহ উপজেলা কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

আলোচনায় জেলা সমন্বয়কারী মোহাম্মদ রেজ্জাক আলী বলেন, মুক্তিজোট সর্বক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে। সবাই যা ভাবতে পারে না, মুক্তিজোট তা করে দেখায়। মুক্তিজোট আজ যা করে, আগামীকাল সবাই তা নিয়ে ভাবে।

 

এছাড়াও আলোচনায় জেলা স্টিয়ারিং কমিটি প্রধান মোঃ হামিদুল আল আমিন মুক্তিজোটের দলীয় অর্জন সম্পর্কে বলেন, যে দাবী অপূরিত থাকায় মুক্তিজোট গত জাতীয় নির্বাচন বয়কট করে, ৪ বছর পর আজ সেই দাবী প্রায় সব রাজনৈতিক দলের দাবী হয়ে উঠেছে। এভাবেই নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রসঙ্গে মুক্তিজোটের দাবী সব দলের হয়ে দেশের ১৬ কোটি মানুষের হয়ে উঠেছে।

 

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে নিবন্ধন প্রাপ্তির পর নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রসঙ্গে মুক্তিজোট নির্বাচন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা সহ নির্বাচনকালীন সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়কে নির্বাচন কমিশনের অধীনে ন্যস্ত করার দাবী জানায়।

 

সবশেষে জেলা সমন্বয়কারী মোহাম্মদ রেজ্জাক আলী উপস্থিত সকল সংগঠকদের প্রতি শেরপুর জেলার সর্বস্তরে মুক্তিজোটকে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান এবং সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আলোচনা সভা সমাপ্ত ঘোষনা করেন।