[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
দায়িত্ব কি জানেন না জেলা পরিষদ সদস্যরা?
১৮-০১-২০১৭

জেলা পরিষদের সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান শেষ হলেও তাঁরা এখনো জানেন না তাঁদের দায়িত্ব কি? ১৮ই জানুয়ারি ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে রাজধানীর ওসমানী মিলনয়াতনে দুই দফায় ৫৯ জেলার নির্বাচিত ১১শ ৬৯ জন সদস্যর শপথ পড়ান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। 

 

শপথ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে শক্তিশালী হয়েছে গণতন্ত্রের ভিত, সেই সাথে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাও। এদিকে মন্ত্রীর বক্তব্যে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার কথা উঠে আসলেও শপথ নেওয়া সদস্যদের অনেকেই বলছেন তাঁরা জানেন না তাদের কর্তব্যটাই। যদিও মন্ত্রী আলোচনায় বলেছেন, তৃণমূলে সরকারের যেসব ছোট প্রকল্প আছে, সেগুলো জেলা পরিষদই বাস্তবায়ন করবে।

 

আবার ১১ই জানুয়ারি ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে শপথ নেওয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরা ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলার সাথে সমন্বয় ও তৃনমুলের এই কাঠামোকে শক্তিশালী করতে নতুন বিধি করার পরামর্শও দিয়েছেন। নতুবা উপজেলার মতো জেলাতেও স্থানীয় প্রশাসন ও সাংসদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

 

গণমাধ্যমের এক প্রশ্নের জবাবে মাগুরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পঙ্কজ কুণ্ডু বলেন, ‘সবে তো শপথ নিলাম,  পরিষদের কাজ কী হবে, সেটা এখনো আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়। দায়িত্ব নেওয়ার পর বোঝা যাবে আমাদের কী করতে হবে।

 

প্রসঙ্গতঃ আইন হওয়ার ১৬ বছর পর প্রথমবারের মতো সরাসরি ভোটে গঠিত হয়েছে জেলা পরিষদ।

 

তথ্য সূত্রঃ

http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/1062161/

http://www.channel24bd.tv/index.php/2017011871075/news-24-cat/

http://www.bssnews.net/bangla/newsDetails.php?