[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
ব্রিটিশ আমলের আইনই নিম্ন আদালতে মামলা জটের কারণ
১৫-০১-২০১৭

১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের দেওয়ানি কার্যবিধি ও প্রয়োগপদ্ধতি কাজের অনুপযোগী এবং সনাতন মামলা ব্যবস্থাপনা, সেকেলে অফিস প্রযুক্তি, প্রশিক্ষিত জনবল ও বিচারক স্বল্পতাসহ বিভিন্ন কারণ নিম্ন আদালতে মামলাজটের নিয়ামক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।

 

১৪ই জানুয়ারি ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে ‘অধস্তন আদালতের মামলা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জুডিশিয়াল পলিসি প্রণয়নে বিচারকদের দুই দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি আরও বলেন, একটি জুডিশিয়াল পলিসি তৈরি ছাড়া মামলাজট সামলানো দুরূহ।

 

প্রাচীন প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুর্বলতা, জটিল কার্যপ্রণালী, চল নেই এমন ফাইলিং পদ্ধতি ও বিচারপ্রার্থীসহ পক্ষগুলোকে নোটিশ দেয়ার কার্যপ্রণালীর অপর্যাপ্ততা বিচার প্রশাসন অগ্রগতিতে সহায়ক নয়। এমনকি আদালতের কার্যপ্রণালীর অপব্যবহার, মামলার শাখা-বিন্যাস ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে দক্ষতার অভাব বিচার প্রক্রিয়া বিলম্ব হওয়ার কারণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

বিচারপদ্ধতি দ্রুত ও বিচার প্রার্থীবান্ধব করতে একটি জুডিশিয়াল পলিসি প্রণয়নের চিন্তা ভাবনা করছেন বলে তিনি জানান। এ জন্য দেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের মানসিকতাও বিবেচনায় নিতে হবে এমনকি বিচারিক কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় ও জ্ঞান একটি পূর্ণাঙ্গ এবং সমন্বিত জুডিশিয়াল পলিসি প্রণয়নে সহায়তা করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

এই জুডিশিয়াল পলিসিতে মামলা নিষ্পত্তির কর্মপন্থা, প্রশাসনিক উৎকর্ষতা বৃদ্ধি, অবকাঠামো ব্যবস্থার উন্নয়ন, সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতসহ অন্যান্য জরুরি ইস্যুগুলো থাকবে বলে উল্লেখ করেন প্রধান বিচারপতি। এক্ষেত্রে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আইন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা ছাড়া এটা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

 

প্রধান বিচারপতি ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্টার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম ও ইউএসএইড এর কর্মকর্তা ড. শারমিন নাহার। এছাড়ও কর্মশালায় অধস্তন আদালতের ৪০ জন বিচারক ও বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তা অংশ নিয়েছেন। এ কর্মশালার আয়োজক ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা ইউএসএইড।

 

তথ্য সূত্রঃ

http://www.manobkantha.com/2017/01/14/184184.php

http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/1059373

https://www.dailyinqilab.com/article/58684/