[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
ইসি গঠনে আইন চেয়ে রিট আবেদন
১১-০১-২০১৭

নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। ১০ই জানুয়ারী ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ।

 

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ ও আইন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

 

আগামী সপ্তাহে হাইকোর্টের বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে রিট শুনানি হতে পারে বলে জানান আইনজীবী।  

 

সংবিধানের ১১৮ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া এবং রাষ্ট্রপতি সময়ে সময়ে যেরূপ নির্দেশ করিবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগ প্রদন করিবেন।

 

১১৮ (২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য্য করিবেন।

 

১১৮ (৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

 

১১৮ (৫) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোনো আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবেঃ

 

তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোনো নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।

 

নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বিধায় তা সংবিধানের বাইরে চলতে পারে না। অথচ এখন পর্যন্ত উক্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য কোন আইন তৈরি করা হয়নি। এতদিন আইন তৈরি ছাড়াই যত ইসি গঠন করা হয়েছে এই রিটে তিনি সবগুলোকে অসাংবিধানিক ঘোষণারও দাবি জানান । তিনি আরও বলেন সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ চূড়ান্ত করবেন রাষ্ট্রপতি।

 

এর আগে ২০১৬ সালের ২১ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করার নির্দেশনা দিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু বেঁধে দেওয়া সময়ে নোটিসের জবাব না দেয়ায় এই রিট করা হয় বলে জানান তিনি।

 

তথ্য সূত্রঃ

http://www.dhakatimes24.com/2017/01/11/15871/ইসি-গঠনে-আইন-চেয়ে-রিট

http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1271139.bdnews

http://www.globalnews.com.bd/?p=80664

http://www.banglanews24.today