[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
ইসির সাথে সংলাপে বাসদের ১৩ দফা ও জাকের পার্টির ২৭ দফা প্রস্তাব
০৫-১০-২০১৭

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৫ই অক্টোবর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপে কমিশনকে ১৩ দফা প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ও বিকেলে ২৭ দফা সুপারিশ পেশ করে জাকের পার্টি।

 

৫ই অক্টোবর সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামানের নেতৃত্বে বাসদের ১৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয়। সংলাপ শেষে দলটির সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, তারা সংসদ ভেঙে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যবস্থার অধীনে নির্বাচন করার প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়ন, দল নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনে আলোচনা, প্রতি তিন আসনে একজন নারী সদস্যের অংশগ্রহণ, পরীক্ষামূলকভাবে ইভিএম ব্যবহারের প্রস্তাবসহ নির্বাচনী জামানত ৫ হাজার টাকা ও নির্বাচনী ব্যয় ১০ লাখ টাকার মধ্যে সীমিত রাখা; এছাড়াও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জন্য আজীবন সম্মানী ভাতা চালু করা; নির্বাচনে কালো টাকা, পেশিশক্তি, সাম্প্রদায়িকতা ও আঞ্চলিকতা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা; সারাদেশে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করা ও নির্বাচনী বিরোধ মেটানোর জন্য স্বতন্ত্র আদালত গঠন করা।

 

এদিকে বিকেলে জাকের পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সলের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে দলটির চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সাল সাংবাদিকদের জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা। দলের পক্ষ থেকে অপরাজনীতির লাগাম টেনে ধরার সুপারিশ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

তিনি আরো বলেন, ক্ষমতার জন্যে নয়, দেশের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে দলগুলো নিয়ে বারবার নির্বাচন কমিশনকে বসতে হবে। মোস্তফা আমির বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে স্থায়ী সমাধান দরকার। তবে এবিষয়ে কোন প্রস্তাব দেননি তিনি। নির্বাচনকালীন সময়ে সেনা মোতায়েনের বিষয়ে দলটির পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেয়া হয়নি।

 

এ ছাড়া দলটির পক্ষ থেকে হ্যাকিং প্রটেকটিভ ইভিএম ব্যবহার, নির্বাচনী ব্যয় মনিটরিং, নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে মত দেয়া হয়।

 

দুটি দলের সঙ্গে সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা সভাপতিত্ব করেন। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও বেগম কবিতা খানম এবং ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সংলাপে উপস্থিত ছিলেন।

 

গত ৩১শে জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ১৬ই ও ১৭ই আগস্ট গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর ২৪শে আগস্ট বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট এর সাথে সংলাপের মধ্যে দিয়ে নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের  সঙ্গে বৈঠক শুরু করে ইসি।

 

তথ্য সুত্রঃ

http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/city/2017/10/06/227142.html 

http://www.ntvbd.com/bangladesh/158289/

http://www.banglatribune.com/politics/news/249033/