[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
ইসির সংলাপে তরিকত ফেডারেশনের ১২ দফা প্রস্তাব
০৪-১০-২০১৭

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপে ৪ঠা অক্টোবর বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারির নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নেন। তাঁরা ইসিকে ১২ দফা প্রস্তাব দেন।

 

সংলাপে শেষে ১২ দফা প্রস্তাব প্রসঙ্গে সংবিধানের বাইরে না যাওয়ার কথা উল্লেখ করে দলের চেয়ারম্যান মাইজভাণ্ডারী সাংবাদিকদের বলেন, আমরা সংবিধানের বাইরে যাব না। এ সরকারের অধীনে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দল নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করে এর অধীনে নির্বাচন করা সহ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন চাই, স্ট্রাইকিং র্ফোস সেনাবাহিনীকে নিয়োগ দিতে হবে। এছাড়াও নির্বাচনের সময় কোন অপশক্তি, জঙ্গি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নির্বাচনি পরিবেশ বিঘ্নিত করতে না পারে এবং জনগণের মালামাল ও নিরাপত্তা গ্রহণের জন্য ইসির তত্ত্বাবধায়নে স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ে বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা, নির্বাচনি ব্যয় ২৫ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে ৫০ লক্ষ করা, ভোট গ্রহণে ইভিএম পদ্ধতি চালু করা, রোহিঙ্গারা যাতে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হতে পারে সে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাবও দেয় দলটি। এছাড়া তফসিল ঘোষণার ৬০ দিন আগে ভোটার তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা এবং নির্বাচনের আগে দলগুলো সড়ক বন্ধ করে সভা সমাবেশ করতে না করা, নির্বাচনে কালো টাকা ও পেশি শক্তির ব্যবহার রোধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করাসহ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মতাদর্শিক দল নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার দাবি জানায় তরিকত ফেডারেশন।

 

বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সঙ্গে ইসির সংলাপসূচি থাকলেও দলটি ‘বিশেষ কারণে আসতে না পারায়’ নির্ধারিত সংলাপ হয়নি।

 

সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা সভাপতিত্ব করেন। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও বেগম কবিতা খানম এবং ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সংলাপে উপস্থিত ছিলেন।

 

এ বৈঠকের মধ্য দিয়ে ২১টি দলের সঙ্গে মতবিনিময় করল নির্বাচন কমিশন। গত ৩১শে জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ১৬ই ও ১৭ই আগস্ট গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর ২৪শে আগস্ট বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট এর সাথে সংলাপের মধ্যে দিয়ে নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের  সঙ্গে বৈঠক শুরু করে ইসি।

 

 

তথ্য সুত্রঃ

https://bangla.bdnews24.com/politics/article1403433.bdnews

http://www.banglatribune.com/national/news/248615

http://www.mzamin.com/article.php?mzamin=85881