[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
কল্যাণ পার্টির ৮ দফা ও ইসলামিক ফ্রন্টের ১২ দফা সুপারিশ ইসির সংলাপে
১৪-০৯-২০১৭

১৪ই সেপ্টেম্বর সকালে আগারগাঁওয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে ইসির সঙ্গে সংলাপে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। মতবিনিময় শেষে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বলেন, “নির্বাচন কমিশনের কাছে আটটি ‍সুপারিশ করা হয়েছে; ৪টি বিষয়ে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বর্তমান আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী যেকোনো কারণেই হোক পলিটিসাইজড হয়ে গেছে। তাই তাদের উপর জনগণ আস্থা রাখতে পারছে না যে, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।”

 

এ ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, এটা জনগণের বিশ্বাস বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

“নির্বাচনের আট থেকে ১৫ দিন আগে আমরা সেনা মোতায়েনের জন্য কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছি।” দলের অন্য সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে- সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ইসির সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রবাসীদের ভোটাধিকার দেওয়া, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দেওয়া, সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনী আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণ করা ও কোনো জোটের প্রার্থীদের শরীক দলের যে কোনো প্রতীকে নির্বাচন করার সুযোগ দেওয়া।

 

অন্যদিকে বিকালে কমিশনের সঙ্গে সংলাপে ইসলামি ফ্রন্ট বাংলাদেশ ১২ দাবি তুলে ধরে। দলটির মহাসচিব আল্লামা সৈয়দ বাহাদুর শাহর নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি সংলাপে অংশ নেয়। 

 

তফসিল ঘোষণার পর সংসদ ভেঙে দিয়ে তিন ধাপে জাতীয় নির্বাচন করার পক্ষে মত দিয়েছে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ও ভোটারদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্বাচন কমিশনকে ১০০ আসন করে তিন ধাপে ৩০০ আসনে নির্বাচন করার কথা বলেছে দলটি। তাদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে- না ভোটের বিধান, ইলেক্ট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থা চালু করা, নির্বাচনী ব্যয় সংকোচন, কালো টাকার ব্যবহার রোধ ও সকল প্রকার নির্বাচনী ব্যয় নির্বাচন কমিশনের বহন, তফসিল ঘোষণার পর কমিশনের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে এমন মন্ত্রণালয়গুলো যে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে কমিশনের সঙ্গে পরামর্শের ব্যবস্থা করা।

 

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ঘোষিত পথনকশা অনুযায়ী নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ করছে ইসি। গত ২৪ আগস্ট বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করে ইসি। এ পর্যন্ত ১০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করেছে সংস্থাটি। অক্টোবরের মধ্যে সবার সঙ্গে সংলাপ শেষ করার কথা রয়েছে।

 

সংলাপে এ পর‌্যন্ত কয়েক ডজন সুপারিশ এসেছে- জাতীয় পরিষদ গঠন, নির্বাচনকালীন অস্থায়ী সরকার গঠন, নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকার, নির্বাচনের সময় সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া, রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার, নির্বাচনকালীন সময়ে ইসির অধীনে জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, সেনা মোতায়েন, না ভোটের প্রবর্তন, প্রবাসে ভোটারধিকার প্রয়োগ ও দলের নির্বাহী কমিটিতে বাধ্যতামূলকভাবে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখার বিধান তুলে নেওয়া ইত্যাদি সুপারিশগুলোর মধ্যে অন্যতম।

 

তথ্য সূত্রঃ

http://www.dhakatimes24.com/2017/09/14/48724/

http://bangla.bdnews24.com/politics/article1394482.bdnews

http://www.banglanews24.com/Election-Comission/news/bd/602385.details#2