[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
ইসির বিধি-বিধান সংস্কারে ‘জাতীয় পরিষদ’ গঠনের প্রস্তাব মুক্তিজোটের
২৪-০৮-২০১৭

নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধানদের সমন্বয়ে জাতীয় পরিষদ গঠন করে বিধি-বিধান সংস্কার করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) প্রস্তাব দিয়েছে মুক্তিজোট।


বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে সংলাপকালে এ প্রস্তাব দেয় মুক্তিজোট। সংলাপ শেষে মুক্তিজোটের নির্বাহী প্রধান মুহাম্মদ আমিনুর রহমান সাংবাদিকদের এ কথা জানান।



তিনি বলেন, কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ তথা জাতীয় পরিষদ গঠন করে বিধি-বিধান সংস্কার করলেই তা কেবল যথাযথ হতে পারে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য মুখ্য বিষয় হচ্ছে বিধি-বিধান। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে কোনো প্রকার আলোচনা না করেই এই বিধি- বিধানগুলো করে থাকে ইসি। কিন্তু বিধি-বিধানগুলো তো রাজনৈতিক দলগুলোকে মেনে চলতে হয়। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপনে আমরা জাতীয় পরিষদ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছি।
 

তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দেওয়ার সাথে সাথে উক্ত দলের প্রধানকে অথেনটিক মর্যাদায় নির্দিষ্ট করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধানদের সমন্বয়ে গঠিত হবে এই জাতীয় পরিষদ। এভাবে পদাধিকার বলে প্রত্যেক দলের প্রধান জাতীয় পরিষদের সদস্য হিসেবে রাষ্ট্র কর্তৃক অথেনটিক মর্যাদা পাবেন এবং জাতীয় পরিষদের সদস্যরা সংসদ সদস্যের সমমান বহন করবেন।
 

মুক্তিজোটের নির্বাহী প্রধান বলেন, জাতীয় পরিষদের আহ্বায়ক থাকবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এ ছাড়া এই পরিষদের প্রধান তথা চূড়ান্ত নির্দেশকারী থাকবেন রাষ্ট্রপতি।
 

তিনি বলেন, প্রত্যেক নাগরিক তার স্থায়ী ঠিকানায় ভোটার থাকার প্রস্তাব দিয়েছি। এ ক্ষেত্রে প্রার্থী এবং প্রবাসী স্থায়ী ঠিকানায় ভোটার থাকলেও ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে তার ব্যত্যয় থাকবে।
 

সংগঠনের নির্বাহী প্রধান বলেন, প্রথমে সল্প পরিসরে স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে ই-ভোটিং এর প্রয়োগ করে পরবর্তীতে জাতীয় নির্বাচনে প্রসঙ্গে ভাবা যেতে পারে।
 

এ ছাড়া প্রবাসী ভোটারদের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস মারফত ভোট কেন্দ্র স্থাপনপূর্বক ভোটের ব্যবস্থা করা সহ নির্বাচন কমিশনের জনবল বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
 

মতবিনিময় সভা শেষে ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, মুক্তিজোট জাতীয় পরিষদ গঠন, স্থায়ী ঠিকানায় ভোটার হওয়া, প্রবাসীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়া, স্থানীয় নির্বাচনে ই-ভোটিং চালুর পর এটি জাতীয় নির্বাচনে প্রয়োগ করা, জাতীয় নির্বাচনের সময় ৫ দিন ছুটি প্রদান, নির্বাচনকালে জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ইসির অধীনে রাখাসহ  বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছে।

 

উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- মুক্তিজোটে’র সংগঠন প্রধান আবু লায়েস মুন্না, জয়েন্ট সংগঠন প্রধান আমিনা খাতুন ওমী শিকদার, নির্বাহী প্রধান মুহাম্মদ আমিনুর রহমান, জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি প্রধান শাহজামাল আমিরুল, কাঠামো পর্ষদ প্রধান মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, পরিচালনা বোর্ড প্রধান মাহমুদ হাসান আবেদ, কন্ট্রোল বোর্ড প্রধান এ্যডভোকেট ক্রিস্টিও মারিও দ্যা শিল্পী দাস, এডিটোরিয়াল বোর্ড প্রধান মোঃ বদরুজ্জামান রিপন, জাতীয় কাঠামোগত সার্বক্ষণিক সিরাজুল ইসলাম, মহাসচিব আজিবুন্নাহার ঝুমা, বীপ্র প্রধান এ কে এম শাহনেওয়াজ গণি ও গভর্ণর- সাগর কুমার ভৌমিক।



একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মুক্তিজোটের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

 


তথ্য সূত্রঃ

http://www.risingbd.com/national-news/237773

http://dhakanews24.com/2017/08/24/