[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

৭ দিনের সংবাদ দুনিয়া

 
জনস্বার্থে রাষ্ট্রের তিন অঙ্গের সুসমন্বয় প্রয়োজনঃ প্রধানমন্ত্রী
১৫-০৪-২০১৭

রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ আইন বিভাগ, বিচারবিভাগ ও শাসন বিভাগের সুষম সমন্বয়, সম্পর্ক ও সমঝোতা থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জনস্বার্থে এ তিন অঙ্গের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে। রাষ্ট্রের স্বার্থকেও সমুন্নত রাখতে হবে’।  

 

 ‘একটি রাষ্ট্র সঠিকভাবে চলতে পারে তখন, যখন এ তিনটি অঙ্গের মধ্যে একটি সুসর্ম্পক বা সমঝোতা থাকে’। ১৫ই এপ্রিল রাজধানীর কাকরাইলে জাজেস টাওয়ারে বিচারপতিদের জন্য নবনির্মিত বহুতল ভবনের উদ্বোধনকালে মাননীয়  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন কোন বিভাগের মধ্যে সমস্যা দেখা দিলে আলোচনার মধ্য দিয়ে তার সমাধান করতে হবে ।

 

‘একটি রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ থাকে। আইন বিভাগ, বিচারবিভাগ ও শাসন বিভাগ- এর মধ্যে সমঝোতা থাকতে হয় এবং একে অপরের সম্পূরক হিসেবে কাজ করে। একে অপরকে অতিক্রম করে না। এখানে ক্ষমতার শক্তি দেখানো নয় বরং ক্ষমতা কারোরই কম নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

‘কে কাকে সম্মান করবে, কে কাকে করবে না, কে কার সিদ্ধান্ত নাকচ করবে, কে কার সিদ্ধান্ত মানবে না মানবে- এসব দ্বন্দ্ব যদি আসে তাহলে একটি রাষ্ট্র সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে না। রাষ্ট্রকে সুষ্ঠুভাবে চলতে হলে এ তিনটি অঙ্গকে যথাযথভাবে তার কর্মপরিকল্পনাটা চালাতে হবে’।

 

আর প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে উক্ত বিভাগের কিছু ক্ষমতা থাকে। কিন্তু সে ক্ষমতাটা প্রয়োগের ক্ষেত্রে ততোটুকু প্রয়োগ করতে পারে, যতটুকু জনস্বার্থের পক্ষে। এমনকি কতোটুকু করা উচিত না তাও নিদিৃষ্ট হয় জনস্বার্থের মানদণ্ডে। প্রয়োগের ক্ষেত্রে তিনটি অঙ্গের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হতে পারে- তা সমাধানে জনস্বার্থের বিষয় বিভাগগুলোর বিবেচনায় থাকা উচিত বলে মনে করেন তিন।

 

নতুন আইন তৈরির সুদীর্ঘ প্রক্রিয়া তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে আইন প্রণয়ন ও সংসদে চূড়ান্তভাবে তা পাস করেন সংসদ সদস্যরা। সবশেষে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে সে আইন কার্যকর করা হয়। তাই জনস্বার্থেই সব আইন তৈরি হয়।

 

এজন্য কোনো আইন নাকচ বা বাতিল করা হলে এতোদিনের পরিশ্রম ও উদ্যোগ পণ্ড হয়ে যায় বলে মন্তব্য করে এক্ষেত্রে সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বানও জানান তিনি।      

 

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধান বিচারপতি ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

 

তথ্য সূত্রঃ

http://www.banglanews24.com/national/news/bd/567736.details

http://www.poriborton.com/national/45491

http://www.bangalinews.com/2017/04/15/3658

http://www.boishakhionline.com/2099/