[ আমরা সম্মিলিত অনুশীলনের ভিত্তিতে, মানুষ ও মনুষ্যত্বের মুক্তিতে, মানবীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মহতী সংগ্রামে- আমাদের আদর্শিক সত্তা ও সমন্বয়ক দিশারী শ্রদ্ধেয় ‘বড়দা (আব্দুর রাজ্জাক মুল্লাহ রাজু শিকদার)’র নির্দেশিত পথই- সংগঠন ও সংগঠন কাঠামোর ক্ষেত্রে মতাদর্শিক দিশা হিসেবে গৃহীত; সেই আলোকেই অত্র প্রকাশনা অনুমোদিত। ]



মেনু

প্রবাসী সংগঠন

 

Warning: Use of undefined constant details - assumed 'details' (this will throw an Error in a future version of PHP) in /home/muktijot/public_html/constitution_3.php on line 53

প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য সংগঠনঃ বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (অনুচ্ছেদ ৩৯ খ, গঠনতন্ত্র)

 

প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশীরা- যাঁরা বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট)-এর নীতি, আদর্শ তথা মতাদর্শে বিশ্বাস করেন এবং সংগঠন গড়ে তুলতে চান- তাঁরা যে দেশে বসবাস করেন, সেসব দেশের প্রচলিত আইনের অধীনে সংগঠন প্রতিষ্ঠা বা পরিচালনা করতে পারবেন এবং সবক্ষেত্রেই সংগঠনের নাম হবে ‘বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট’ এবং শেষে উক্ত দেশের নাম থাকবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন পেশাভিত্তিক আলাদা কোনো সংগঠন না থেকে প্রবাসী মাত্রই অর্থাৎ ছাত্র, যুবক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী এবং পেশাজীবীদের জন্য একটিই সংগঠন তথা বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) হবে অর্থাৎ পেশাভিত্তিক ভিন্ন ভিন্ন সাংগঠনিক পরিচয়ের বদলে একটিই সাংগঠনিক পরিচয় থাকবে। যেমন- ‘বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট’, কানাডা; ‘বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট’, সংযুক্ত আরব আমিরাত ইত্যাদি। এক্ষেত্রে কমিটি বা দপ্তর সংশ্লিষ্টতায়  শহরভিত্তিক সংগঠন অনুশীলন হতে পারে। তবে সেক্ষেত্রেও সংগঠনের নাম হবে ‘বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট’ এবং শেষে উক্ত শহর ও সংশ্লিষ্ট দেশের নাম থাকতে হবে। যেমন- ‘বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট’ লন্ডন, যুক্তরাজ্য; ‘বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট’ নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র; ‘বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট’ কলকাতা, ভারত; ‘বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট’ ইয়াংগুন, মায়ানমার ইত্যাদি।

 

সংগঠন গড়ে তোলার প্রক্রিয়াঃ- প্রবাসে কেউ সংগঠন গড়ে তুলতে উদ্যোগী হলে ‘মুক্তিজোট’র কেন্দ্রীয় কমিটির কাছ থেকে অনুমোদন নিয়ে একজন অন্তর্বীজ অথোরিটি হিসেবে (১০জন+১)= ১১ জনের একটি আহ্বায়ক কমিটি বা অন্তর্বীজ ইউনিট গড়ে তুলবেন। এক্ষেত্রে গঠনতন্ত্র বিশেষত পরিকাঠামোর প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ অবশ্যই পড়ে নিতে হবে। কারণ যিনি প্রথম উদ্যোক্তা তিনিই অন্তর্বীজ অথোরিটি এবং সংশ্লিষ্ট পরবর্তীদের জন্য তিনিই সংগঠন।

 

অন্তর্বীজ অথোরিটি ক্রমান্বয়ে ৩ জনকে (প্রথমে একজন পরে দু’য়ে মিলে তৃতীয় জন) কনভিন্স করার পর প্রথম অন্তর্বীজ ইউনিট গঠিত হবে- যেখানে কনভিন্স ক্রম অনুসার তথা সময়ের মৌলিক মানদন্ডে অন্তর্বীজ অথোরিটি আহবায়ক এবং অপর দুইজন যথাক্রমে যুগ্ম আহবায়ক নির্দিষ্ট হবেন।  এরপর বাকী ৮ জনকে কনভিন্স করে ইউনিট (১০+১) পূর্ণ করতে হবে। এই ইউনিট পূর্ণ হলে সিটিং ডেকে এক দিনের কর্মশালা বা পারস্পরিক মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে যথাক্রমে সমন্বয়কারী ও যুগ্ম সমন্বয়কারী এবং বাকী ৯ জনকে তিনটি ইউনিটে (৩+৩+৩) বিভক্ত করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি ইউনিটের এই তিন জনের একজন আহ্বায়ক ও বাকী দুই জন যুগ্ম আহ্বায়ক নির্দিষ্ট হবেন এবং তাদের নিজ নিজ ইউনিট (১০+১)= ১১জন পূর্ণ করতে বাকী ৮ জনকে কনভিন্স করার নির্দেশ থাকবে। প্রতিটি ইউনিট ১১জন হওয়ার পুরো প্রক্রিয়ায় সমন্বয়কারী ও যুগ্ম সমন্বকারীর প্রত্যক্ষতা থাকবে। এভাবে তিনটি ইউনিটে (১১+১১+১১)= মোট ৩৩জন পূর্ণ হওয়ার পর কেন্দ্রীয় কমিটির অবগতিতে সমন্বয়কারীর অনুমোদনে যুগ্মসমন্বয়কারী সভা বা এক দিনের কর্মশালার আয়োজন করে পরবর্তী ইউনিট ফ্রন্ট এর যাত্রা শুরু করবেন [বিস্তারিতঃ গঠনতন্ত্রের পরিকাঠামোর প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ দ্রষ্ট্রব্য]।

 

৩৩জন পূর্ণ হওয়া প্রক্রিয়ায় সিটিং ও কর্মশালাসহ সবক্ষেত্রেই আলোচ্য বিষয় থাকবে গঠনতন্ত্র এবং মার্চ ফর বাংলাদেশ। অর্থাৎ সংগঠন পরিকাঠামো গড়ে তোলার বিষয়টি আত্মস্থ করার সাথে সাথে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে স্বচ্ছ থাকতে হবে।  

 

স্মর্তব্য, সংগঠন পরিকাঠামো গড়ে তোলা ও সংহতকরণে আদর্শিক এই ধারায় এক জন, এক জন করে সংখ্যা বাড়াতে হবে অর্থাৎ এক থেকে দুই এবং দুয়ে মিলে তৃতীয় জনকে কনভিন্স করতে হবে। এভাবে তিন জন মিলে চতুর্থ জনকে অর্থাৎ (১+১=২, ২+১=৩, ৩+১=৪) এক এক করে মোট (১০+১=১১) এগারো জনকে কনভিন্স করতে হবে। এটা সংগঠন পরিকাঠামো গড়ে তোলার মূলনীতি বিধায় এর ব্যত্যয় ঘটানো যাবে না।